
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিন
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩০ | মঙ্গলবার
এক পরিবারেই ৫ সরকারি ভাতা! বোন ‘বিধবা’, ছেলে-ভাতিজা ‘প্রতিবন্ধী’—ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন। অভিযোগের কেন্দ্রে রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিন। স্থানীয়দের দাবি, প্রকৃত দরিদ্র, অসচ্ছল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের বাদ দিয়ে নিজের পরিবারের পাঁচ সদস্যের নামে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিভিন্ন ভাতা নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে তার বিবাহিত বোনের নামে বিধবা ভাতা এবং সুস্থ ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের পরিবারের পাঁচ সদস্য বর্তমানে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাচ্ছেন। অভিযোগের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো—তার বিবাহিত বোন সাবরিনা আক্তার পিংকির নামে নিয়মিত বিধবা ভাতা তোলা হচ্ছে। একই পরিবারের আরও দুই সদস্য—ইউপি সদস্যের ছেলে মোহাম্মদ আবরার বিন মুনির এবং বড় ভাই মো. আলম উদ্দিনের ছেলে হাসান বিন আলম সাজিদের নামেও প্রতিবন্ধী ভাতার এমআইএস নম্বর রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
এ ছাড়া ইউপি সদস্যের বাবা মো. শামসুল আলমের নামে প্রতিবন্ধী ভাতা এবং মা তাহেরা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড রয়েছে বলেও জানা গেছে।
সব মিলিয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের নামে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা থাকার বিষয়টি সামনে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, একজন জনপ্রতিনিধির পরিবারের সদস্যদের একাধিক সরকারি ভাতা পাওয়ার বিষয়টি কীভাবে যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে অনুমোদিত হলো—তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে।
বিবাহিত বোনের নামে বিধবা ভাতা
স্থানীয়দের অভিযোগের অন্যতম প্রধান বিষয় ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের আপন বোন সাবরিনা আক্তার পিংকির নামে বিধবা ভাতা চালু থাকা।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ব্যবস্থাপনা তথ্য ব্যবস্থা বা এমআইএস নম্বরে নিয়মিত তার নামে বিধবা ভাতা তোলা হচ্ছে। অথচ তিনি বর্তমানে বিবাহিত। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু লোকমানের সঙ্গে সাবরিনা আক্তার পিংকির বিয়ে হয়।
স্থানীয়দের আরও দাবি, তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম সদর রেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশ হিসেবে কর্মরত। তার স্বামীও একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে চাকরি করেন।
অর্থাৎ, তিনি বিবাহিত এবং কর্মজীবী—এমন অবস্থায় তার নামে বিধবা ভাতা কীভাবে চালু রয়েছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের বক্তব্য ভিন্ন।
বোনের নামে বিধবা ভাতা পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বোনের আগে ডিভোর্স হয়েছিল। ওই সময় তৎকালীন এসিল্যান্ড এবং রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের সঙ্গে পরিষদে আলোচনা করেই তাকে বিধবা ভাতার আওতায় আনা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
তবে ডিভোর্সের পর পুনরায় বিয়ে হলে বিধবা ভাতা বহাল রাখার বিধান রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের বিষয়ে ইউপি সদস্য কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এখানেই তৈরি হয়েছে মূল জটিলতা। কারণ পুনর্বিবাহের পর একজন নারী বিধবা ভাতার সুবিধা পাওয়ার যোগ্য থাকেন কি না, সে বিষয়ে সরকারি বিধিমালা কী বলছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে—তা যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ছেলে ও ভাতিজার নামেও প্রতিবন্ধী ভাতা
শুধু বোনের নামেই নয়, ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের নিজের ছেলে এবং ভাতিজার নামেও প্রতিবন্ধী ভাতা থাকার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, ইউপি সদস্যের ছেলে মোহাম্মদ আবরার বিন মুনিরের নামে প্রতিবন্ধী ভাতার একটি এমআইএস নম্বর রয়েছে। অথচ স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আবরার শারীরিকভাবে সুস্থ এবং ইউনিয়নের একটি হেফজখানায় পড়াশোনা করছেন।
একইভাবে ইউপি সদস্যের বড় ভাই মো. আলম উদ্দিনের ছেলে হাসান বিন আলম সাজিদের নামেও প্রতিবন্ধী ভাতা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, সাজিদ রায়পুর এজাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার নিয়মিত শিক্ষার্থী। ২০২৭ সালে তার দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বলেও জানা গেছে।
প্রশ্ন উঠছে, যদি তারা প্রকৃতপক্ষে প্রতিবন্ধী হয়ে থাকেন, তাহলে তাদের প্রতিবন্ধিতার ধরন কী এবং সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কী ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাদের প্রতিবন্ধী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে—এ বিষয়গুলোও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
ইউপি সদস্যের বক্তব্য কী?
ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিন বলেন, তাদের প্রতিবন্ধী কার্ড রয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং যাচাই-বাছাই করেই তাদের ভাতার আওতায় আনা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে সমাজসেবা অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, একজন জনপ্রতিনিধির পরিবারের সদস্যদের নামে একাধিক সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা থাকার বিষয়টি সাধারণ কোনো ঘটনা নয়। বিশেষ করে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের নাম বিভিন্ন ভাতার তালিকায় থাকায় বিষয়টি স্বচ্ছভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।
প্রকৃত প্রতিবন্ধী হয়েও ভাতা পেতে হয়রানির অভিযোগ
অভিযোগের আরও একটি দিক সামনে এসেছে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সেলিম উদ্দিনের পরিবারের মাধ্যমে।
সেলিম উদ্দিনের দাবি, তার ১৯ বছর বয়সী বোন সেলিনা আক্তার জন্মগতভাবে বাক্প্রতিবন্ধী। প্রায় পাঁচ বছর আগে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে তিনি সুবর্ণ কার্ডও পেয়েছিলেন।
কিন্তু কার্ড থাকার পরও দীর্ঘ সময় তিনি প্রতিবন্ধী ভাতা পাননি বলে অভিযোগ করেন সেলিম উদ্দিন। তার দাবি, ইউপি সদস্যের বাধার কারণে তার বোন ভাতা থেকে বঞ্চিত হন।
পরবর্তীতে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রায় এক বছর আগে সেলিনা আক্তারের নাম ভাতার তালিকায় ওঠে বলে জানান তিনি।
একদিকে জনপ্রতিনিধির পরিবারের একাধিক সদস্যের নামে বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা থাকার অভিযোগ, অন্যদিকে প্রকৃত প্রতিবন্ধী একজন নাগরিকের ভাতা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা ও হয়রানির অভিযোগ—এই দুই ঘটনার মধ্যে বৈপরীত্য নিয়েই স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
তবে সেলিম উদ্দিনের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও নথিপত্র যাচাই করা প্রয়োজন।
সমাজসেবা কর্মকর্তার বক্তব্য
বিষয়টি নিয়ে আনোয়ারা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রিজোয়ান উদ্দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, নিয়ম অনুযায়ী কোনো নারী পুনর্বিবাহের পর বিধবা ভাতা পাওয়ার সুযোগ নেই। পুনর্বিবাহের ক্ষেত্রে ভাতা বাতিলের স্পষ্ট নিয়ম রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ইউপি সদস্যের বোনের নামে বিধবা ভাতা চালু থাকার বিষয়টি যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে তা কীভাবে হয়েছে—এটি যাচাই করা হবে বলে জানান সমাজসেবা কর্মকর্তা।
একই সঙ্গে ইউপি সদস্যের ছেলে ও ভাতিজার নামে প্রতিবন্ধী ভাতা থাকার বিষয়টিও নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হবে বলে জানান তিনি।
তার বক্তব্য অনুযায়ী, তদন্তে যদি অসত্য তথ্য প্রদান, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে ভাতা গ্রহণ কিংবা কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সরকারি ভাতার তালিকায় কারা থাকবেন, সেটিই মূল প্রশ্ন
সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো সমাজের দরিদ্র, অসহায়, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক, বিধবা ও অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সহায়তা নিশ্চিত করা। এসব কর্মসূচির সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছানোই মূল লক্ষ্য।
কিন্তু কোনো জনপ্রতিনিধির পরিবারের সদস্যরা যদি একই সঙ্গে একাধিক সরকারি ভাতার আওতায় চলে আসেন এবং তাদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সংশ্লিষ্ট তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া, যাচাই-বাছাই এবং অনুমোদন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়।
কারণ একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব শুধু নিজ পরিবারের স্বার্থ দেখা নয়; বরং তার এলাকার প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাও তার অন্যতম দায়িত্ব।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, ভাতার তালিকা তৈরির সময় উপকারভোগীদের পারিবারিক অবস্থা, বৈবাহিক অবস্থা, শারীরিক প্রতিবন্ধিতা এবং আর্থিক সক্ষমতা যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না।
আর যদি যাচাই করা হয়ে থাকে, তাহলে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য কীভাবে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এলেন—এ প্রশ্নের উত্তরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পরিষ্কার হওয়া দরকার।
তদন্তেই বেরিয়ে আসতে পারে প্রকৃত তথ্য
পুরো বিষয়টি এখন অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ যেমন রয়েছে, তেমনি অভিযুক্ত ইউপি সদস্যও তার পরিবারের সদস্যদের ভাতা পাওয়ার বিষয়ে সরকারি প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাইয়ের কথা জানিয়েছেন।
ফলে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে প্রয়োজন সরকারি নথি যাচাই, এমআইএস তথ্য পর্যালোচনা, প্রতিবন্ধী কার্ডের বৈধতা পরীক্ষা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শারীরিক ও সামাজিক অবস্থার যাচাই এবং ভাতা অনুমোদনের সময়কার কাগজপত্র পর্যালোচনা।
বিশেষ করে সাবরিনা আক্তার পিংকির বৈবাহিক অবস্থা এবং তার নামে বিধবা ভাতা চালু থাকার বিষয়টি নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি। একইভাবে মোহাম্মদ আবরার বিন মুনির ও হাসান বিন আলম সাজিদের প্রতিবন্ধী কার্ড কোন প্রক্রিয়ায় ইস্যু হয়েছে, কে তাদের প্রতিবন্ধিতা যাচাই করেছেন এবং কোন মেডিকেল বা প্রশাসনিক নথির ভিত্তিতে তাদের ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—এসব তথ্যও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হতে পারে।
এ ছাড়া একই পরিবারের বাবা ও মায়ের নামে থাকা প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রেও যোগ্যতার বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা—স্বচ্ছ তদন্ত
এ ঘটনায় স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক অভিযোগ হিসেবে না দেখে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক।
তাদের মতে, অভিযোগ সত্য হলে সরকারি অর্থের অপব্যবহার বন্ধ করে প্রকৃত উপকারভোগীদের ভাতা নিশ্চিত করতে হবে। আর অভিযোগের কোনো ভিত্তি না থাকলে তদন্তের মাধ্যমেই সেটিও পরিষ্কার হওয়া উচিত।
কারণ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ রাষ্ট্রের অর্থ এবং এই অর্থের মূল লক্ষ্য দেশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনযাত্রায় সহায়তা করা।
তাই প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তির পরিবর্তে অযোগ্য কেউ সুবিধা পেলে শুধু একজন ব্যক্তি নয়, বঞ্চিত হন প্রকৃত উপকারভোগী।
রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই অভিযোগ এখন তাই শুধু একটি পরিবারের ভাতা পাওয়ার বিষয়েই সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির তালিকা তৈরির স্বচ্ছতা, জনপ্রতিনিধির ভূমিকা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীদের অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্ন।
অভিযোগের সত্যতা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তবে বিষয়টি ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কতটা দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি তদন্ত করে এবং তদন্তে কী তথ্য বেরিয়ে আসে।
অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের বক্তব্য এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার বক্তব্যসহ সংশ্লিষ্টদের মতামত এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও সরকারি নথিপত্র।
📡 Time tv24 | সময়ের সঙ্গে সত্যের পথে





